২০২০ টি টয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে তার ক্যারিয়ারের ৭ম টি টুয়েন্টি বিশ্বকাপ। বিগত ৬টি টুয়েন্টি বিশ্বকাপে তথাকথিত এই দেশসেরা ব্যাটসমানের পারফরম্যান্স একটু দেখে নেওয়া যাক-
২০০৭ টি টয়েন্টি বিশ্বকাপে তিনি ৫ ম্যাচে ৭১.৭৯ স্ট্রাইক রেটে সর্বমোট ৫৬ রান করেন। সর্বোচ্চ স্কোর ছিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে(৪০ বলে ৩২ রান)
২০০৯ টি টুয়েন্টি বিশ্বকাপে তিনি ২ ম্যাচে সর্বমোট রান করেন ৩৭। এবার অবশ্য স্ট্রাইক রেটের কিছুটা উন্নতি (৯৭.৩৮)। সর্বোচ্চ স্কোর ছিল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে (২৮ বলে ২২ রান)
২০১০ টি টয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলেন একটি মাত্র ম্যাচ। পাকিস্তানের বিপক্ষে সে ম্যাচে তিনি খেলেন ১৮ বলে ১৯ রানের একটি সাদামাটা
ইনিংস। স্ট্রাইক রেট ১০৫
২০১২ টি টয়েন্টি বিশ্বকাপে ২ ম্যাচে করেন সর্বমোট ২৪ রান। স্ট্রাইক রেট ১৬০। সর্বোচ্চ স্কোর ছিল পাকিস্তানের বিপক্ষে(১২ বলে ২৪ রান)
২০১৪ টি টয়েন্টি বিশ্বকাপে বাছাইপর্ব ও মূলপর্ব মিলিয়ে তিনি ম্যাচ খেলেন ৭ টি ম্যাচ। ৮৬.৮৩ স্ট্রাইকরেটে সেবার তিনি রান করেছিলেন সর্বমোট ৮৩। সর্বোচ্চ স্কোর ছিল আফগানিস্তানের বিপক্ষে(২৩ বলে ২১ রান)।
২০১৬ টি টয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ব্যাটসমান ছিলেন কে? পরিসংখ্যান তো বলে তামিম ইকবাল। সেবার তিনি ৬ ম্যাচে ৭৩.৭৩ গড়ে ২৯৫ রান করেন, স্ট্রাইকরেট ছিল ১৪২।
কিন্তু শুভংকরের ফাঁকি তো আছে একটা-
তামিম ইকবাল সেবার বাছাইপর্বেই করেন ৩ ম্যাচে ২৩৩ রান, গড় ৭৭.৭, স্ট্রাইকরেট ১৫৮। বাছাইপর্বে কাদের সাথে এত রানের ফুলঝুরি ছড়িয়েছিলেন একটু দেখা যাক
নেদারল্যান্ডস ৮৩(৫৮)
আয়ারল্যান্ড ৪৭(২৬)
ওমান ১০৩(৬৩)
কিন্তু মূলপর্বে ৩ ম্যাচে ৬২ রান, স্ট্রাইক রেট ৮৮.৫৭। ভারতের বিপক্ষে ৩৫ বলে ৩২, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৮ বলে ৩, পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩০ বলে ২৪।
এভাবেই তিনি সর্বশেষ টি টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রানগ্রাহক ব্যাটসমান।
ছয় ওয়ার্ল্ড কাপে মোট সেঞ্চুরি ১ টি, হাফসেঞ্চুরি ১। দুটিই সহযোগী দলের সাথে।
সেরা দলগুলোর বিপক্ষে তার সর্বোচ্চ ইনিংস ৩৫(ভারতের বিপক্ষে)।
২০০৭ টি টয়েন্টি বিশ্বকাপে তিনি ৫ ম্যাচে ৭১.৭৯ স্ট্রাইক রেটে সর্বমোট ৫৬ রান করেন। সর্বোচ্চ স্কোর ছিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে(৪০ বলে ৩২ রান)
২০০৯ টি টুয়েন্টি বিশ্বকাপে তিনি ২ ম্যাচে সর্বমোট রান করেন ৩৭। এবার অবশ্য স্ট্রাইক রেটের কিছুটা উন্নতি (৯৭.৩৮)। সর্বোচ্চ স্কোর ছিল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে (২৮ বলে ২২ রান)
২০১০ টি টয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলেন একটি মাত্র ম্যাচ। পাকিস্তানের বিপক্ষে সে ম্যাচে তিনি খেলেন ১৮ বলে ১৯ রানের একটি সাদামাটা
ইনিংস। স্ট্রাইক রেট ১০৫
২০১২ টি টয়েন্টি বিশ্বকাপে ২ ম্যাচে করেন সর্বমোট ২৪ রান। স্ট্রাইক রেট ১৬০। সর্বোচ্চ স্কোর ছিল পাকিস্তানের বিপক্ষে(১২ বলে ২৪ রান)
২০১৪ টি টয়েন্টি বিশ্বকাপে বাছাইপর্ব ও মূলপর্ব মিলিয়ে তিনি ম্যাচ খেলেন ৭ টি ম্যাচ। ৮৬.৮৩ স্ট্রাইকরেটে সেবার তিনি রান করেছিলেন সর্বমোট ৮৩। সর্বোচ্চ স্কোর ছিল আফগানিস্তানের বিপক্ষে(২৩ বলে ২১ রান)।
২০১৬ টি টয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ব্যাটসমান ছিলেন কে? পরিসংখ্যান তো বলে তামিম ইকবাল। সেবার তিনি ৬ ম্যাচে ৭৩.৭৩ গড়ে ২৯৫ রান করেন, স্ট্রাইকরেট ছিল ১৪২।
কিন্তু শুভংকরের ফাঁকি তো আছে একটা-
তামিম ইকবাল সেবার বাছাইপর্বেই করেন ৩ ম্যাচে ২৩৩ রান, গড় ৭৭.৭, স্ট্রাইকরেট ১৫৮। বাছাইপর্বে কাদের সাথে এত রানের ফুলঝুরি ছড়িয়েছিলেন একটু দেখা যাক
নেদারল্যান্ডস ৮৩(৫৮)
আয়ারল্যান্ড ৪৭(২৬)
ওমান ১০৩(৬৩)
কিন্তু মূলপর্বে ৩ ম্যাচে ৬২ রান, স্ট্রাইক রেট ৮৮.৫৭। ভারতের বিপক্ষে ৩৫ বলে ৩২, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৮ বলে ৩, পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩০ বলে ২৪।
এভাবেই তিনি সর্বশেষ টি টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রানগ্রাহক ব্যাটসমান।
ছয় ওয়ার্ল্ড কাপে মোট সেঞ্চুরি ১ টি, হাফসেঞ্চুরি ১। দুটিই সহযোগী দলের সাথে।
সেরা দলগুলোর বিপক্ষে তার সর্বোচ্চ ইনিংস ৩৫(ভারতের বিপক্ষে)।
এখন শুধু অপেক্ষা ৭ম বিশ্বকাপের।

No comments:
Post a Comment